কে সেই ছোট দৈত্ত্য অ্যামিবা যার থেকে উৎপত্তি হয়েছিলো প্রানের?
কীভাবে এলো পৃথিবীতে এটি?

সময়টা ১৩৫০ কোটি বছর আগের, ঘটেছিলো পদার্থ ও শক্তির উদ্ভব। শুরু হয়েছিলো পদার্থবিদ্যার যাত্রা । সাথে পরমানু ও অনুর উৎপত্তি ।
পদার্থবিদ্যার সাথে প্রানের উৎপত্তির অভিযাত্রায় আমাদের জানা প্রয়োজন পদার্থ দুই ধরনের হয়ে থাকে মৌলিক ও যৌগিক।
মৌলিক পদার্থ একটি মাত্র পদার্থ নিয়ে গঠিত । যেমন কার্বন । আর যৈগিক পদার্থ গঠিত হয় দুইটি ভিন্ন ধর্মী মৌলিক পদার্থ নিয়ে । যেমন পানি (H2O) একটি যৌগিক পদার্থ ।
যেসব পদার্থ থেকে উদ্ভিদ ও জীবদেহ গঠিত হয় তারা হচ্ছে জৈব পদার্থ বাকিরা সব অজৈব পদার্থ ।

প্রত্যাকটি জৈব পদার্থের কেন্দ্রে একটি মৌলিক পদার্থের পরমানু থাকে যাকে কার্বন বলা হয় । কার্বন হচ্ছে জৈব পদার্থের সর্বশেষ অবস্থা । যাকে বলা যেতে পারে জৈব পদার্থের ধ্বংশের ছাই । তাহলে সকল জৈব পদার্থের কেন্দ্রে পাওয়া যাবে কার্বন । কার্বন যেহেতু একটি পরমানু তাই একে আর ভেঙ্গে দেখার সুযোগ নেই। তবে এটা মনে রাখা উচিত শুধু মাত্র কার্বন থেকেই কিন্তু জৈব পদার্থের সৃষ্টি হতে পারে না। বরং কার্বনের সাথে মিশে থাকতে পারে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, গন্ধক এবং আরো অনেক পদার্থ । জৈব পদার্থের অনুর গর্ভস্থ কার্বনের সাথে এইসব পদার্থের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় মিলনের ফলে জন্ম হয় ভিন্ন ভিন্ন জৈব পদার্থ । যেমন কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন এর মিশ্রন ঘটালে তৈরী হবে হাইড্রোকার্বন । যা একটি জৈব পদার্থ।

MRSA, Ingestion by Neutrophil


তাহলে জৈব পদার্থ এলো কীভাবে?


জৈব পদার্থ পাওয়া যায় নক্ষত্রে ও গ্রহে বা উল্কা পিন্ডে ।
মহাবিশ্বের সকল নক্ষত্র কার্বন ধারা গঠিত ও কার্বনের সাথে মিশে থাকে অন্যান্য কিছু পদার্থ । এবং মাহাবিশ্বে সর্বনিম্ন ৪০০০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৮০০০০ সে. উত্তাপের নক্ষত্র আছে । স্পেক্ট্রোস্কোপ যন্ত্রের সাহায্যে জানা যায় খুব বেশি উত্তাপ্ত নক্ষত্রদের কার্বন পরমানুরা একা একা ভেসে বেড়ায় । এরা অন্য কোনো পরমানুর সাথে জোড় বাধে না । কিন্তু যেসব নক্ষত্রের উত্তাপ ১২০০০০ সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি তাদের কার্বন পরমানু গুলো তাদের সাথে থাকা হাইড্রোজেন পরমানুর সাথে মিলে সৃষ্টি করেছে হাইড্রোকার্বন । এই হাইড্রোকার্বন একটি জৈবিক পদার্থ। এভাবেই নক্ষত্রে সৃষ্টি হয় জৈব পদার্থের ।

অ্যামিবা


আচ্ছা তাহলে পৃথিবীতে কার্বন আর জৈব পদার্থ এলো কোত্থেকে?


আপনি জানেন নিশ্চুই সূর্যের বাইরের উত্তাপ ৬০০০০ সে. সূর্যের মধ্যে রয়েছে অনেক ধরনের মৌলিক পদার্থ । এবং তাদের মধ্যে একাধিক মৌলিক পদার্থের মিলন ঘটার মাধ্যমে সেখানে একাধিক জৈব পদার্থের জন্ম হয়। যেমন কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, কার্বনের সাথে নাইট্রোজেন, কার্বনের সাথে কার্বনের মিলন ঘটেছে। এবং জন্ম হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন জৈব পদার্থের ।
এছাড়াও উল্কার দেহে রয়েছে কার্বন ও ধাতুর মিলনে তৈরী কার্বাইড নামক জৈব পদার্থের।
সূর্য,উল্কা ও নক্ষত্রের দেহে যেভাবে জৈব পদার্থের সৃষ্টি হয়েছে ঠিক সেভাবেই পৃথিবী গ্রহেও জৈব পদার্থের সৃষ্টি হয়েছে।
সময়কাল ছিলো ৪৫০ কোটি বছর । তৈরি হলো পৃথীবি । এর আগে পৃথিবীর অবস্থা ছিলো অন্যন্য গ্রহ ও নক্ষত্রগুলোর মত সুর্যের খন্ডিত টুকরো ও সুর্যের সমান উত্তাপ্ত । তখন সকল গ্রহই নক্ষত্র ছিলো। কোটি কোটি বছর জ্বলতে থাকা গ্রহ গুলোর জ্বালানী এক সময় শেষ হয়ে যায় এবং সুর্য থেকে এদের সৃষ্টি হয় তাই এরা সুর্যের আকর্ষন বলে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলে । উপগ্রহ গুলো গ্রহ থেকে সৃষ্টি হয়েছে তাই এগুলোও তাদের গ্রহের চারদিকে আকর্ষন করে প্রদক্ষিণ করছে। যেমন চাঁদ পৃথিবীর একটি উপগ্রহ । এটি পৃথীবি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া একটি অংশ, তাই চাঁদ পৃথবিকে আকর্ষন করে ঘুরছে।


আদি পৃথিবীর জলন্ত কালেই পৃথীবিতে জৈব পদার্থের সৃষ্টি হয় । হাজার হাজার কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ও নাইট্রোজেন পরমানু গুলোর মধ্যে সুবিন্যস্ত সংযোগের মাধ্যমে তৈরি হয় প্রোটিনের। আর এই প্রোটিনই হচ্ছে জৈব পদার্থ ।
প্রকৃতির প্রধান কাজ হচ্ছে পরিবর্তন করা । আর পরিবর্তনের মাধ্যমেই আসে পদার্থের নতুন রুপ । আর একেই বলে বিবর্তন । কার্বনের সাথে অন্য ভিন্ন ভিন্ন মৌলিক পদার্থের সংমিশ্রনে তৈরী হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন জৈব পদার্থের । এবার জৈব পদার্থের সাথে নতুন কোনো উপাদান মিশ্রিত হয়ে তৈরী হবে আরেক রুপান্তর এভাবেই চলবে প্রকৃতির বিবির্তন ।


পৃথিবীর আদি অবস্থায় পৃথিবীর সমুদ্রে প্রোটিন তৈরি হবার মতো অনুকুল পরিবেশ বজায় ছিলো । লক্ষ লক্ষ বছর সময় লেগেছে হাইড্রোকার্বন থেকে প্রোটিনে রূপান্তর হতে । আবার প্রোটিনের সাথে , কার্বোহাইড্রেড ও লিপিড নামক জৈব পদার্থ ও বিভিন্ন অজৈব পদার্থ যেমন অক্সিজেন,হাইড্রোজেন,নাইট্রোজেন,গন্ধক,ক্যালসিয়াম আরো অনেক পদার্থ মিলে সৃষ্টি হয়েছে প্রোটোপ্লাজমের । এটি অর্ধস্বচ্ছ ,বর্নহীন, জেলির মতো অর্ধ-তরল আঠালো সজীব পদার্থ। প্রোটিনের সাথে বিভিন্ন জৈব – অজৈব পদার্থ মিশ্রিত হয়ে হাজার হাজার বছর সময় লেগেছে প্রোটোপ্লাজমের রুপ পেতে ।

ছবিটি ইন্টারনেট থেকে গৃহীত


মনে রাখবে পৃথিবীতে বিভিন্ন বস্তর বিবর্তনের সময়কাল এক নয়। এদের মধ্যে ব্যবধান অনেক দীর্ঘ । বিবর্তনের জন্য সব সময় একটি উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন । যেমন প্রকৃতি কয়েক ঘন্টার মধ্যে দুধকে দধি তে রূপান্তর করতে পারে আবার রেডিয়ামকে শিশায় পরিবর্তন করতে তার সময় লাগে লক্ষ লক্ষ বছর।
ঠিক তেমনি কার্বন থেকে একটি প্রোটোপ্লাজম সৃষ্টি হতে সময় লেগেছে প্রায় ১০০ কোটি বছর ।
যতক্ষন পর্যন্ত একটি জৈব পদার্থে জীবনের লক্ষন প্রকাশ না পায় ততক্ষন পর্যন্ত কিন্তু তাকে জীব হিসেবে ধরা যাবে না । কোনো পদার্থে যদি দেহপুষ্টি ও বংশবৃদ্ধি এই লক্ষন দুটি প্রকাশ পায় তাহলে ওই পদার্থটি সজিব । যেসব পদার্থ জলের উপর ভাসমান অবস্থায় থাকে সম্পূর্ন জলে মিশে না তাকে কলয়ডাল সলিউশন বলে ।

এসব সলিউশন জৈব ও অজৈব উভয় পদার্থের হয়ে থাকে । অর্থাৎ জৈব পদার্থের সলিউশন গুলো জলে ভেসে থাকার সক্ষমতা অর্জন করেছে আর অপর দিকে অজৈব পদার্থের সলিউশন গুলো জলে ডুবে যায় ।


কলয়ডাল সলিউশনে একটি বিশেষ গুন লক্ষ করা যায় তা হচ্ছে এটি জলে ভাসমান অন্য জৈব – অজৈব পদার্থকে গ্রহন করে দেহকে পুষ্ট করে থাকে । এই প্রক্রিয়া লক্ষ লক্ষ বছর ধরে চলতে থাকলে কলয়ডাল পদার্থটির আয়তন ও ওজন বৃদ্ধি পায় । এবং একটা পর্যায় এসে ফেটে দুই টুকরো হয়ে যায় । এবং কালের ক্রমে আরো বৃদ্ধি পেয়ে চার টুকরো ও ভবিষ্যতে আট টুকরো হয়ে যায় ।

এখানে কিন্তু মুল লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে কলয়ডাল পদার্থটির পুষ্টি ও বংশবৃদ্ধির বৈশিষ্ট্যটি । এই কলয়ডাল পদার্থটিই হচ্ছে প্রোটোপ্লাজম বা সেল । যাকে বাংলায় বলা হয় জীবকোষ।
পৃথিবীর সেই আদিম সমুদ্রের পানিতে সৃষ্টি হওয়া প্রোটোপ্লাজমকে কেন্দ্র করেই যাত্রা শুরু হয়েছিলো অভ্যুদয় প্রানের ও জীবনের অভিযান ।


সময়কাল ৩৮০ কোটি বছর, শুরু হলো অ্যামিবার যাত্রা, উৎপত্তি হলো প্রানের আবির্ভাব ।
“প্রান” হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের সম্মিলিত রাসায়নিক ক্রিয়ায় উদ্ভূত একটি রাসায়নিক শক্তি । পৃথিবীর সেই আদি অবস্থায় পৃথিবীর পরিবেশ ছিলো প্রান সৃষ্টির অনুকূলে । তখনকার পরিবেশে তাপ, আলো, বায়ুচাপ, জলবায়ু উপাদান এর পরিমান ছিলো প্রান সৃষ্টির জন্য সাম্ভাব্য । এই অনুমানকে প্রমান করার জন্য ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে জার্মান বিজ্ঞানী ফ্রেড্রিক ওহ্লার টেস্টটিউবে জৈব পদার্থ তৈরি করে প্রমান করেন প্রকৃতির ন্যায় মানুষও জৈব পদার্থ তৈরী করতে পারে ।


এরপর ১৯৬৭-৬৮ সালের শীতকালে ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আর্থার কোর্নবার্গ এবং তার সহকারীগন মিলে টেস্টটিউবে অজৈব পদার্থ C. H. O. N. ইত্যাদির সংমিশ্রনে জৈব ভাইরাস সৃষ্টি করতে সক্ষম হন । উক্ত ভাইরাস প্রকৃতজাত ভাইরাসের মতো নড়াচড়া করে ।

এবার ফিরে দেখা যাক প্রোটোপ্লাজম যুগের পরে প্রানের আভির্বাব কীভাবে হয়েছিলো । প্রাক-ক্যাম্ব্রিয়ান যুগের শেষের দিক পর্যন্ত প্রোটোপ্লাজম বা জীবকোষ গুলোর ইন্দ্রিয় বা চেহারা তৈরি হয়নি । এরা নিজেদের পুরো শরীর দিয়ে চুষে খাদ্য গ্রহন করে । পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার পেলেই দ্রুত বংশ বিস্তার করে । আঘাত পেলে কিছুটা অনুভুত হয় । আর তখন যাত্রা শুরু হয় ক্যামব্রিয়ান যুগের । এতো দিনে এদের মধ্যে নতুন একটি বৈশিষ্ট্য অর্জন করে নিয়েছে তারা। আর তা হচ্ছে বোধ শক্তি । যা অর্জন করতে তাদের সময় লেগেছে প্রায় দশ কোটি বছর । আর এই দশ কোটি বছরের যুগকে বলা হয় ক্যামব্রিয়ান যুগ ।

এই যুগে ছিল তারা শ্যাওলা জাতীয় প্রান । আর সেই শ্যাওলা জাতীয় প্রান গুলোই হচ্ছে অ্যামিবা । তখন থেকেই তারা হতে থাকে উন্নত, সৃষ্টি হতে থাকে উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত ভাইরাস,ব্যাকটেরিয়া, আরো উন্নত হয়ে সৃষ্টি হয় অমেরুদন্ডী কৃমি ও জেলিফিশ জাতীয় প্রানী, আরো উন্নত হয়ে সৃষ্টি হয় বহুকোষী হাজার হাজার প্রান ।

ঘটে ক্যামব্রিয়ান বিষ্ফোরণ । তবে এই সময়্ও স্থলভাগে প্রানের সৃষ্টি হয়নি । অ্যামিবাকে পৃথিবীর প্রথম সৃষ্ট প্রানী বলা হয় কারন অ্যামিবা এর দেহ একটি কোষ দিয়ে-ই গঠিত, যা এর সকল শরীরবৃত্তিক কার্যাবলী পরিচালনা করে থাকে । এই এককোষী প্রানী থেকেই পরবর্তীতে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বহুকোষী প্রানীর উদ্ভব ঘটেছে ।


ঋতু যায় আবার নতুন ঋতু আসে দিয়ে যায় পরিবর্তন । নিয়ে আসে অ্য্যামিবাদের মাঝে নতুন সব বৈশিষ্ট্যও পরিবর্তন । এককোষী জীব গুলো এখন আর একা একা থাকে না , তারা এখন একসাথে গোষ্ঠীভাবে থাকে । গোষ্ঠীর বাইরের কোষগুলো খাদ্য গ্রহন করলে তা ভেতরের কোষগুলো চুষে নেয় এবং একসাথে তাদের পুষ্টি ও বংশ বৃদ্ধি হতে থাকে। এর ফলে এদের গোষ্ঠীর আকৃতি বৃদ্ধি পায় ।
গোষ্ঠী গুলোর ভেতরের কোষ গুলোর স্বতন্ত্র সত্ত্বা বজায় থকলেও বাইরের দিকের কোষগুলোর অবস্থা হয়ে পড়ে ভিন্ন । এভাবে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীতে ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়ে নতুন নতুন বহুন কোষী প্রানীর আবির্ভাব ঘটে ।


যুগের পালাক্রম ঘটে, আজ থেকে প্রায় শত কোটি বছর আগে ভুপৃষ্ঠের কোথাও উদ্ভিদ ও প্রানী ছিলো না । সমুদ্রের পানি তখনো কিছুটা উত্তাপ্ত, লবনহীন ও মিশে আছে নানা প্রকার জৈব-অজৈব পদার্থ । ছিলো অতিরিক্ত কার্বনডাই-অক্সাইড । আকাশ ছিলো ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন । কোথাও তখনো সুর্যের আলো ছিলো না । বাতাসে ছিলো অল্প পরিমানে অক্সিজেন । এই পরিবেশে সমুদ্রে চলছিল খুব ধীর গতিতে বংশবিস্তারের ধারা । হাজার হাজার বছর কেটে যায় । পৃথীবি আরো শীতল হয় । একসময় আকাশের সব জলীয় বাষ্প ঝরে যায় । ভূপৃষ্টে দেখা যায় সুর্যের আলো । সেই আলোতে সমুদ্রের জীবানুদের মাঝে শুরু হয় নবজাগরনের সৃষ্টি ।

ছবিটি ইন্টারনেট থেকে গৃহীত


শীতের দিনে রোদ্র সবার প্রিয় । কিন্ত সবাই তো আর রোদ পোহাবার সুযোগ পায় না । আবার রোদ পোহালে ক্ষুধা নিবৃত্ত হয় না , যদি হতো সবাই রোদ পোহাতো । সমুদ্র জলে যেসব জীবানু রোদ পোহাবার সুযোগ পেলো তারা এক আশ্চর্য্য সুযোগও পেয়ে গেল । তারা দেখলো রোদ পোহালে ক্ষুধা নিবৃত্ত হয় । এতে ঐসব জীবানু একস্থানে দাঁড়িয়ে তারা তাদের দেহ পুষ্ট ও বংশ বৃদ্ধি করতে লাগলো । এবং পরবর্তীতে তারা তাদের এই স্থীর বৈশিষ্টের সাথে কালক্রমে উদ্ভিদে পরিনত হয় । আর যেসব জীবানুরা রোদ পোহাবার সুযোগ পেল না এবং সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত ছিলো তাদের খাবার সংগ্রহের জন্য ছোটাছূটি করতে হতো । এবং এই সব অসুবিধাভোগী জীবানুগুলো পরিনত হলো জীব ও জন্তু হিসেবে ।
এইভাবেই অ্যামিবা থেকেই উৎপত্তি হয় প্রানের ।


Nirjon Niyaz (Tariq)

The Administrator of WHQ Bangla

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *